রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
নোয়াখালীতে ঝড়ের বসত ঘর উড়ে যাওয়া বিধবার পাশে জেলা প্রশাসক

নোয়াখালীতে ঝড়ের বসত ঘর উড়ে যাওয়া বিধবার পাশে জেলা প্রশাসক

ইব্রাহিম খলিল শিমুল, নোয়াখালীঃ-

নোয়াখালী সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নে বাহাদুরপুর গ্রামে এক বিধবা মহিলার ঘর দুপুরে প্রচন্ড ঝড়ে উড়ে চলে যায়।

একটি ঘরের জন্য চরম কষ্টে দিন পার করছেন বিধবা মনোয়ারা বেগম। তার কষ্টের অবসান হচ্ছে। নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বিধবা মনোয়ারা বেগমকে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (০৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক নিজস্ব তহবিল থেকে ঘর নির্মাণের জন্য ওই বিধবাকে টাকা প্রদান করেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (০৪ মে) দুপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে বিধবা মনোয়ারা বেগমের একমাত্র ঘরটি উড়ে যায়। ঘর নির্মাণের অর্থ না থাকায় তিনি অন্যের বাড়িতে গিয়ে থাকতেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ঐ এলাকার এক ছেলে বসতঘরের ছবিগুলো নোয়াখালীর জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন “স্টুডেন্টস্ অব নোয়াখালী” এর ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করলে বিষয়টি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা রিমন ভূইয়া নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খানকে অবহিত করে। ছবিগুলো দেখে পরের দিনই ঐ মহিলাকে ডিসি অফিসে আসতে বলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, বিধবা মনোয়ারা বেগমের একমাত্র ঘরটি ঝড়ে ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি দেখে আমার খুব খারাপ লাগে। আমি ঘর নির্মাণ বাবদ নগদ অর্থ দিয়েছি। এছাড়াও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে খুব দ্রুত ঘরটি নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

সহায়তা পেয়ে বিধবা মনোয়ারা বেগম বলেন, ডিসি স্যার আমাকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিলেন। আমি স্যারের কাছে আজীবন ঋণী হয়ে থাকবো। জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD